August 9, 2026, 9:38 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় বড় ভাইকে পেটালেন ছোট ভাইসহ দুবৃর্ত্তরা। এ সময় ছোট ভাইয়ের লেলিয়ে দেয়া দুবৃর্ত্তরা বাড়ি ভাংচুরসহ ব্যাপক তান্ডব চালায়। স্থানীয়রা জখমীকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ঘটনার জের ধরে আপন দুই সহোদরের মধ্যে মারপিটের ফের শংকা দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ৪ মার্চ দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের মাতবরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। জখমী ব্যক্তির নাম আব্বাছ উদ্দিন (৫০)। তিনি ওই এলাকার মৃত আবদুল মোতালেবের ছেলে। স্থানীয় সুত্র জানায়, পৈত্রিক সুত্র প্রাপ্ত জায়গা নিয়ে রাজাখালী ইউনিয়নের মাতবরপাড়ায় মৃত আবদুল মোতালেবের পুত্র আব্বাছ উদ্দিন ও তার ছোট ভাই গোলাম মোস্তফার মধ্যে বনিবনা চলছিল। ঘটনার দিন দুপুরে গোলাম মোস্তফাসহ ৫/৬ জনের দুবৃর্ত্তরা বড় ভাই আব্বাছ উদ্দিনের বসতবাড়ি ভাংচুর চালায়। এ সময় বাড়ির মালিক আব্বাছ উদ্দিন প্রতিহত করার চেষ্টা করছিলেন। উত্তেজিত লোকজন লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে আহত করে। পিতাকে উদ্ধার করতে আব্বাছ উদ্দিনের বিবাহিত মেয়ে কাউসারা বেগম ওই স্থানে যান। এ সময় হামলাকারীরা তাকেও টানা হ্যাঁচড়াসহ কিল, ঘুষি মারে। আব্বাছ উদ্দিন জানান, পৈত্রিক অংশ আমরা ৭ ভাই ৪ বোন শান্তিপূর্নভাবে যার যার অংশ ভোগ করছিলাম। আমার বাবার জমি ছিল ২.৭৬ শতক। গোলাম মোস্তফা অহেতুক এসে ভাংচুর চালায়। ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারকে এনেছিল ভাড়াটে মাস্তান হিসেবে। তার তান্ডবের বিরুদ্ধে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আব্বাছ উদ্দিনের ছেলে চট্টগ্রাম সিটি কলেজের একাদশ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশ এসেও কোন কাজ হচ্ছেনা। ভাংচুরের দৃশ্য আমরা মুঠোফোনে ধারণ করেছি। মেয়ে কাউছারা বেগম বলেন, আমি গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করেছি। তারা আমাকে পায়ে লাথি মারে। কিল, ঘুসি মেরে আমাকেও লাঞ্চিত করা হয়। আব্বাছ উদ্দিনের স্ত্রী আনতাজা বেগম বলেন, চৌকিদার এসেছে ভাড়াটে হিসেবে। লবণ বিক্রির ৫৫ হাজার ৫শ টাকাসহ মালামালও নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান মজুমদার জানান, তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.